শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:২৫
শিরোনাম :
শিল্পকারখানাসহ আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে:পরিচালক পেট্রোবাংলা কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন প্রয়াত যুবদল নেতা জিএম মনিরের পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক বঙ্গভবনের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজের বৈধ স্থাপনা সরিয়ে প্রশংসিত বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বাপ্পি পরিবারহীন শিশুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনে সরকার শিশু নিবাস পরিচালনা করছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাইভেটকারে ঢাকা ছাড়ছেন বেশিরভাগ মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট  সোমবার থেকে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর শনিবার সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় প্রাইভেটকারে ঢাকা ছাড়ছেন বেশিরভাগ মানুষ।

শুক্রবারের তুলনায় শনিবার সকালের দিকে ফেরিঘাট এলাকায় দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে।

ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পুলিশের কড়া নজরদারির কারণে অনেকে যানবাহনে উঠতে না পেরে হেঁটেই ঘাট এলাকায় আসার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে পণ্যবাহী ও জরুরি যানবাহন ঘাট থেকে পারাপার হচ্ছে। লকডাউনের সময় ঢাকায় না থেকে পরিবারের কাছে চলে যাচ্ছেন তারা। গত ঈদে বাড়ি ফেরার পথে যে ভোগান্তি হয়েছে এবার সেই ভোগান্তিতে পড়তে চান না। এজন্য আগেভাগেই গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন বলে জানান অনেকে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক ফয়সাল আহমেদ জানান, নৌরুটে বর্তমানে ১৪টি ফেরি চলাচল রয়েছে। লকডাউনের আওতামুক্ত যানবাহন পারাপারের কথা থাকলেও যাত্রীরা ঘাটে ভিড় করছেন।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশ মুখে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীরা বিভিন্নভাবে ঘাটে এসে জড়ো হচ্ছেন। মূলত সোমবার থেকে লকডাউন ঘোষণার খবরে সবাই বাড়ি চলে যাচ্ছেন। বাংলাবাজার ঘাট থেকেও ফেরিতে করে শিমুলিয়া ঘাটে অনেক যাত্রী আসছেন।