রবিবার, ১লা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৮:১৪
শিরোনাম :
মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী বরিশাল বোর্ডে ১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল,পাশের হার কমে ৪৪.৮৪ শতাংশ বরিশালে বি.এন.খান কলেজের নাম ব্যবহার করে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেরেবাংলা সম্মাননা পেলেন কথা সাহিত্যিক মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজের অশ্বিনীকুমার হলে মধ্যরাতে উত্তেজনা,সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হামলার চেষ্টা বরিশালে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ সম্পন্ন বরিশালকে নিরাপদ,পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে-এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

দানিশকে পিটিয়ে হত্যা করেছে তালেবান!

অনলাইন ডেস্ক  আফগান বাহিনী আর তালেবানের লড়াইয়ের মাঝে পড়ে ক্রসফায়ারে মৃত্যু হয়নি পুলিৎজারজয়ী ভারতীয় সাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকির। তাকে আটক করে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে তালেবান সদস্যরা।

জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের বরাতে জানা যায় সম্প্রতি এমন অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি সাময়িকী। ওই সাময়িকীর দাবি, ভারত সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের কাছ থেকে দানিশের মরদেহের একাধিক ছবি পেয়েছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রয়াত এ সাংবাদিকের মাথায় অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, বুলেট দিয়ে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে সারা শরীর।

রয়টার্সের প্রধান ফটোসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকি আফগানিস্তান গিয়েছিলেন সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের লড়াইয়ের ছবি তুলতে। মৃত্যুর আগে কয়েকদিন ধরে কান্দাহার প্রদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করছিলেন ৩৮ বছর বয়সী এ ভারতীয়।

গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন এক্সামিনারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান যোদ্ধারা কান্দাহারে পাকিস্তান সীমান্ত দখল করতে গেলে তাদের ঠেকাতে রওয়ানা দেয় আফগান বাহিনী। তখন সরকারি ফৌজের কনভয়ে উঠে পড়েন দানিশও। তাদের সঙ্গেই সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান তিনি।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সীমান্ত থেকে কয়েকশ’ মিটার দূরে আফগান বাহিনীর ওপর প্রথম হামলা চালায় তালেবান। এতে আফগান বাহিনীর কনভয় দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় আর আফগান কমান্ডারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান দানিশ। তিনজন আফগান সেনার সঙ্গে তিনি অন্য দিকে ছিটকে পড়েন। তার শরীরে স্প্লিন্টারের আঘাত লাগে। আফগান সেনারা তাকে স্থানীয় একটি মসজিদে নিয়ে যান।

সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।কিন্তু দানিশ এবং আফগান বাহিনীর তিন সেনা মসজিদে আশ্রয় নেয়ার এ খবর পৌঁছে যায় তালেবানের কাছে। তাদের একটি দল মসজিদ আক্রমণ করে। ভেতরে ঢুকে তারা দানিশকে আটক করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দানিশকে যখন তালেবান ধরে নিয়ে যায় তখন তিনি জীবিতই ছিলেন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরে তাকে হত্যা করে তালেবান, একই পরিণতি হয় সঙ্গে থাকা তিনজনের। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে প্রাণ হারান আফগান বাহিনীর কমান্ডারসহ বাকি সেনারাও।