মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:১৪
শিরোনাম :
সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী কেদারপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ও ফ্যাসিস্ট আ’লীগ নেতা নুর আলম বেপারী গ্রেপ্তার দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি, কোটি কোটি টাকা লোপাট

আফগানিস্তানে নারীসহ ১৯ জনকে বেত্রাঘাত

অনলাইন ডেস্ক  উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে ১৯ জনকে বিভিন্ন অপরাধের জন্য বেত্রাঘাত করা হয়েছে। তালেবান-নিয়ন্ত্রিত সুপ্রিম কোর্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর আফগানিস্তানে ক্ষমতা নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো কঠোর শরিয়া আইন জারি করে তালেবান। আফগানিস্তান সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মৌলভি এনায়াতুল্লাহ জানান, শরিয়া আইন অনুযায়ী কঠোর তদন্তের পর ১৯ জনের প্রত্যেককে ৩৯টি করে বেত্রাঘাত করা হয়। এই ১৯ জনের মধ্যে ৯ জন নারী রয়েছেন।

তবে কী ধরনের অপরাধের শাস্তি হিসেবে তাঁদের এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। মৌলভি এনায়াতুল্লাহ জানিয়েছেন, প্রাদেশিক আদালতের নির্দেশে ১১ নভেম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তাখার প্রদেশে জুমার নামাজের পর তাদের এই সাজা দেওয়া হয়।

গত বছর ক্ষমতায় আসার পর তালেবানরা প্রথমবারের মতো শরিয়া আইন জারি করে। তবে দেশব্যাপী এ ধরনের শাস্তি কার্যকর হবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তালেবানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা এই মাসে বিচারকদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন এবং বলেছেন, শরিয়া আইন অনুসারে শাস্তি প্রয়োগ করা উচিত।

তালেবান শাসকরা গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আরোহণ করে। তখন থেকে পশ্চিমা দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো নারী অধিকারের প্রতি তালেবানের দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করছে।

এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি দেশ তালেবান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয়নি। এর আগে, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত তাদের শাসনামলে তালেবানরা প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত ও পাথর ছুঁড়ে অনেক অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। পরবর্তীতে আফগানিস্তানে পশ্চিমা সমর্থিত সরকারগুলো ক্ষমতায় এলে এ ধরনের শাস্তি বিরল হয়ে পড়ে।