শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ২:১০
শিরোনাম :
বিএম কলেজের অশ্বিনীকুমার হলে মধ্যরাতে উত্তেজনা,সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হামলার চেষ্টা বরিশালে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ সম্পন্ন বরিশালকে নিরাপদ,পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে-এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী

উলিপুরে নদী ভাঙ্গনের ফলে দু’শতাধিক বসতবাড়ী বিলিন

এজি লাভলু,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নে তীব্র ভাঙনে দু’শতাধিক বসতবাড়ী বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের ফলে আধাপাকা ধান কাটতে বাধ্য হয়েছেন কৃষকরা। বারবার জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মাথা ঠুকেও গলেনি তাদের মন। অসহায় ভাঙনকবলিতদের দাবি দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহনের। কিন্তু তীর রক্ষা বাঁধের প্রকল্প প্রস্তাবনা ফাইলবন্দি থাকায় কপাল পুড়ছে ভাঙন কবলিতদের।

স্থানীয় আতিকুর ও নবাব আলী জানান, এই ইউনিয়নে ৬টি গ্রামে ৩ কিলোমিটার এলাকাব্যাপী ভাঙন চলছে। গত দেড় মাসে দুই শতাধিক বসতবাড়ী, কয়েকশ একর আবাদিজমি, গাছপালা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। গ্রামের ৩০/৪০ জন লোক জনপ্রতিনিধিদের কাছে নদী ভাঙন রোধে কথা বলতে গেলেও তাদের কাছ থেকে কোন আশ্বাস পাওয়া যায়নি।

ভাঙন কবলিত এলাকার মৃত: নৈমুদ্দিনের পূত্র নবাব আলী এবং প্রতিবেশী বাচ্চু, আতিকুর ও হালিমা জানান, ভোরবেলা আমরা ঘর সড়িয়েছি। আপাতত অন্যের জমিতে আশ্রয় নিলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে হতাশ এসব পরিবারের অভিভাবকরা। এই দীর্ঘ জীবনে অনেকবার তাদেরকে এই ধরণের পরিস্থিতিতে মুখোমুখী হতে হয়েছে। তখন জমির দাম কম ছিল। মানুষও অসহায়দের আশ্রয় দিতে কুন্ঠা বোধ করতেন না। এখন সবকিছুর মুল্য বেড়ে গেছে। নদী ভাঙতে ভাঙতে মেইন ল্যান্ডে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলে এসেছে। এখানে জমির মূল্য অনেক বেশি। তাই কেউ জমি দিতে চায় না। এক বাঁধে হাজার হাজার ভিটেহীন পরিবার ঠাসাঠাসি করে বসবাস করছে। সেখানেও ঠাঁই নেয়ার কোন সুযোগ নেই। ফলে ভাঙন কবলিতদের অনেকেই খোলা আকাশে ছাপড়া তুলে আশ্রয় নিয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি কেউই। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর দাবি দ্রæত ডাম্পিং-এর কাজ শুরু করা। যাতে বসতভিটাসহ আবাদি জমি রক্ষা পায়।

এ ব্যাপারে হাতিয়া ইউনিয়নর চেয়ারম্যন আবুল হোসেন জানান, ভাঙনের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিস্ট দপ্তরে জানিয়েছি। যেভাবে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে দ্রæত ব্যবস্থা না নিলে ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদী গর্ভে চলে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, আমরা তীর রক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬০ মিটার জায়গায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করেছি। এখানে নতুন করে তীররক্ষা বাঁধের জন্য প্রকল্প পাঠানো হয়েছে।