রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:০৩
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

ইউক্রেইনের বিমান ভূপাতিতর খবর গোপন করায় তেহরানে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক  বিমান ভূপাতিতর খবর গোপন করায় ইরানের রাজধানী তেহরানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমান ভুল করে ভূপাতিত করার স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তেহরানের রাস্তায় নেমে আসে বিক্ষোভকারীরা।

টুইটারে প্রকাশিত ভিডিওতে শনিবার আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভকারীদের ‘সর্বাধিনায়কের পদত্যাগ, পদত্যাগ’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চরম উত্তেজনার মুহূর্তে বিমানটিকে উড্ডয়নের অনুমতি কেন দেওয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন বিক্ষোভকারীরা।

বিবিসি জানায়, প্রতিবাদকারীরা অন্তত দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়, সেখানে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

গত বুধবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের ছয় মিনিট পর ইউক্রেইন এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজাটি বিধ্বস্ত হয়। এতে আরোহী ১৭৬ জনের সবাই নিহত হন।

প্রথমে যান্ত্রিক সমস্যার কারণে উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে দাবি করে ইরান। তবে উড়োজাহাজটি ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র। তখন ইরানের কর্মকর্তারা তা ডাঁহা মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়ে বলছিলেন, যান্ত্রিক ত্রুটিতেই দুর্ঘটনায় পড়ে ওই উড়োজাহাজটি।

এর তিনদিন পর শনিবার “ভুল করে” উড়োজাহাজটি ভূপাতিতের কথা স্বীকার করে “গভীরদুঃখ” প্রকাশ করে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

এরপর প্রথমে বিমানে নিহত যাত্রীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের অন্তত দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়। প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, শরীফ ও আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীরা এক পর্যায়ে প্রতিবাদ শুরু করে। শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় প্রতিবাদ বিক্ষোভে রূপ নেয়।

ইরানের আধা-স্বায়ত্তশাসিত বার্তা সংস্থা ফারস এক প্রতিবেদনে জানায়, প্রায় হাজারখানেক মানুষ নেতাদের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়ে মার্কিন হামলায় নিহত সামরিক কমান্ডার সোলাইমানির ছবি ছিঁড়ে ফেলে।

বিমান ভূপাতিতের ঘটনায় যারা দায়ী ও যারা সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছিল, সবাইকে বিচারের আওতায় আনার দাবি তোলেন বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা।

তারা “কমান্ডার ইন চিফের পদত্যাগ চাই”, “মিথ্যাবাদীরা নিপাত যাক” ইত্যাদি স্লোগান দেন।

অন্যদিকে, এক টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প “অনুপ্রেরণাদায়ী” প্রতিবাদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

টুইটে তিনি বলেন, “ইরান সরকারের অবশ্যই উচিৎ মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দেওয়া। একইসাথে চলমান আন্দোলনের খবরও সেখান থেকে সরবরাহ করতে দিতে হবে। একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে যেন কোনভাবেই কোনও সংঘর্ষ না ঘটে। ইন্টারনেটও বন্ধ করা যাবে না। সমগ্র বিশ্ব দেখছে।”