রবিবার, ১লা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৪৩
শিরোনাম :
সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী বরিশাল বোর্ডে ১১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল,পাশের হার কমে ৪৪.৮৪ শতাংশ বরিশালে বি.এন.খান কলেজের নাম ব্যবহার করে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেরেবাংলা সম্মাননা পেলেন কথা সাহিত্যিক মামুন-অর-রশিদ

করোনায় ইউরোপে মৃত্যু ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক  প্রানঘাতী মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। ইউরোপে মৃত্যু ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১০টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৮৯ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ২২৬ জন। আর প্রাণ গেছে ৪৪ হাজার ২১৬ জনের।

এর মধ্যে শুধু ইউরোপেই মৃত্যু ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। চীন ও ইরানের পর করোনাভাইরাস মূল আঘাতটি হানে ইতালিতে। তবে করোনার কেন্দ্র এখন ইতালি থেকে সরে ক্রমশ স্পেনের দিকে যাচ্ছে।

স্পেন এখন বিশ্বের তৃতীয় দেশ যেখানে এক লাখের বেশি মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। খবর বিবিসি, এএফপির।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্পেনে বুধবার মৃতের সংখ্যা মোট ৯ হাজার ছাড়িয়েছে। শুধু স্পেন ও ইতালিতেই মারা গেছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। টানা পাঁচদিন স্পেনে ৮০০ বা তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন। তবে গোটা ইউরোপের অবস্থাই এখন শোচনীয়।

নেদারল্যান্ডসে ১ হাজার ছাড়িয়েছে। বেলজিয়ামে আটশ’র বেশি মানুষ মারা গেছেন। জার্মানিতেও আটশ’র কাছাকাছি মানুষ করোনাভাইরাসে মারা গেছেন। সুইজারল্যান্ডে পাঁচশ’র কিছু কম মানুষ মারা গেছেন।

তুরস্ক, সুইডেন ও পর্তুগালেও দেড়শ’র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এ বৈশ্বিক মহামারীতে। অস্ট্রিয়ায় মারা গেছেন শতাধিক মানুষ। ইউরোপ পুরো বিশ্ব থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন আছে।

১২ মার্চ ইতালিতে লকডাউন দেয়া হয়। এরপর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ঘোষণা দেয় ইউরোপজুড়ে লকডাউন দেয়ার কথা। ১৮ মার্চ থেকে সেটা বলবৎ আছে।

ফ্রান্সের হাসপাতালগুলোতে আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩,৫২৩। প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে দৈনিক মৃত্যুর হিসাবে এটিই ছিল ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা।

বেলজিয়ামে ১২ বছর বয়সী এক শিশু মারা গেছে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে। এটিকে ধারণা করা হচ্ছে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে ইউরোপে সবচেয়ে কমবয়সী কারও মৃত্যু হিসেবে।