বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৩:২০
শিরোনাম :
বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উন্নয়নে পরিবর্তনের প্রত্যয়,জাগুয়া ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক কামরুজ্জামান সালেহ! সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার জাসদ কার্যালয় থেকে আটক হওয়া ২৫৪ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিউইয়র্কে বসানো হলো ‘ট্রাম্প মৃত্যুঘড়ি’

অনলাইন ডেস্ক  করোনাভাইরাসের প্রকোপ যে এতটা ভয়াবহ হবে তা বুঝতে পারেননি ক্ষমতাধর রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাইতো শুরুর দিকে গুরুত্ব না দিয়ে হালকাভাবে নিয়েছেন তিনি। এ জন্য মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হয়েছে নিউইয়র্কসহ গোটা যুক্তরাষ্ট্রে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকায় ক্ষোভ থেকে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বসানো হয়েছে ‘ট্রাম্প মৃত্যুঘড়ি’ নামে এক অন্যরকম বিলবোর্ড।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে একটি ভবনের ছাদে এই ঘড়ি বসানো হয়েছে। তবে এটি আসলে একটি বিলবোর্ড, যার নাম ‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’। ওই বিলবোর্ডে করোনায় মৃত মানুষের সংখ্যা লেখা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটা হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট সঠিক সময়ে ব্যবস্থা না নেয়ায় করোনা ভাইরাসে কতজন মারা গেছেন, তার সংখ্যা। সোমবার পর্যন্ত ঐ বিলবোর্ডে মৃতের সংখ্যা ৪৮ হাজারের বেশি লেখা হয়েছে। এটি আবার সময়ে সময়ে আপডেট করা হচ্ছে। এটি বানিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ইউজিন জারেকি।

‘ট্রাম্প ডেথ ক্লক’ বসানোর ব্যাখ্যায় জারেকি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ রোগে মৃত্যুর হার ৬০ শতাংশ প্রতিরোধ করা যেতে পারত। যদি ট্রাম্প প্রশাসন সামাজিক দূরত্ব বজায় ও স্কুলবন্ধ রাখার কার্যক্রম এক সপ্তাহ আগে দিত। ১৬ মার্চের পরিবর্তে ৯ মার্চ বাধ্যতামূলক লকডাউন দিলে মৃত্যু হার অনেক কম হতো। এ ধারণা থেকেই ঘড়িটি তৈরি করা হয়েছে।

জারাকি বলেন, ইতোমধ্যে অনেক জীবন অকারণে হারিয়ে গেছে। আমরা এই সঙ্কটে আরো দায়িত্ববোধ সম্পন্ন নেতৃত্ব চাইছি।

উল্লেখ্য যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৮১ হাজার ৭৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৩ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নভেল করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণার আরও এক সপ্তাহ আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ শতাংশ মৃত্যু এড়ানো যেত। এ ৬০ শতাংশ মৃত্যু এড়ালে এখন পর্যন্ত বেঁচে যেত অন্তত ৪৮ হাজার প্রাণ। আর এই সংখ্যারই দেখা মিলছে ট্রাম্পের নামে এ ‘মৃত্যু ঘড়িতে’। এ সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে।