রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:৪৬
শিরোনাম :
বিসিসি নির্বাচনে মাঠে তৎপর এনসিপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা এক কনস্টেবলে অতিষ্ঠ শেবাচিম হাসপাতাল ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সৌদি যুবরাজ ‘পুরাই গুন্ডা’ বনে গেছেন

মার্কিন আইনপ্রণেতারা সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ‘পুরাই গুন্ডা’ বনে গেছেন বলেও তাঁরা মন্তব্য করেছেন।

গতকাল বুধবার মার্কিন সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটির এক শুনানিতে সিনেটররা সৌদি যুবরাজকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

সৌদি আরবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীত প্রার্থীর পদ নিশ্চিতকরণে সিনেটের ফরেন রিলেশন্স কমিটিতে গতকাল শুনানি হয়।জেনারেল জন আবিজাইদকে (অব.) সৌদি আরবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁর এই মনোনয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শুনানি হয়।

শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যকার জোরালো সম্পর্কের পক্ষে সাফাই করেন জন। তবে শুনানিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তোলেন। এ সময় তাঁরা সৌদি যুবরাজের সমালোচনা করেন।

শুনানিতে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি রিপাবলিকান সিনেটররাও উপস্থিত ছিলেন। ইয়েমেন যুদ্ধে ভূমিকা, আগ্রাসী কূটনীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁরা সৌদি আরবের নিন্দা করেন।

শুনানিতে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যার বিষয়টি উঠে আসে। এই হত্যার ঘটনায় সৌদি আরবের জবাবদিহির পক্ষ মত দেন জন।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো রাষ্ট্রদূত নেই। দেশটিতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের লক্ষ্যে জনকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প।

সিনেটের ফরেন রিলেশনস কমিটির শুনানিতে জন বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো ও পক্ব অংশীদারত্ব দরকার। মার্কিন স্বার্থেই এই সম্পর্ক অটুট করা প্রয়োজন।

শুনানিতে আইনপ্রণেতারা সৌদি যুবরাজের কড়া সমালোচনা করেন। অনেকে তাঁকে খাসোগি হত্যার জন্য দায়ী করেন। তাঁর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন।

কমিটির চেয়ারম্যান ও রিপাবলিকান সিনেটর জিম রিশ বলেন, সৌদি আরব যেসব কাজ করছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিও বলেন, মোহাম্মদ বিন সালমান পুরোপুরি গুন্ডা বনে গেছেন। অপর সিনেটর রন জনসনও একই কথা বলেন।