বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১১:০৯
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

বিদ্যাসাগর পদক পেলেন রাবি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

তানভীর তুষার,রাবি প্রতিনিধি: সাহিত্য ও ইতিহাস গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ভারতে ‘বিদ্যাসাগর পদক-২০১৯’ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ।সম্প্রতি ভারতের পূর্বমেদনীপুর পাঁশকুড়ার একটি হোটেলে বঙ্গবন্ধু রিসার্চ এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন কর্তৃক এ পদক প্রদান করা হয়।

গত ১৬-১৭ জুলাই ভারতের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও হিন্দী বিভাগের যৌথ আয়োজনে ‘ঈশ্বচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদ্বিশতবর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বিদ্যাসাগরের উপর তাঁর লেখা গবেষণা প্রবন্ধ পাঠ করেন। তার স্বীকৃতি স্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ সাহিত্য ও গবেষণা জগতে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। ছড়া, কবিতা, গবেষণা, গান রচনা এবং সাহিত্য সমালোচনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতে তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি উল্লেখ করার মতো।

ড. মাহফুজুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক। গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতার নাম মোজাফফর রহমান আখন্দ এবং মাতার নাম মর্জিনা বেগম। তিনি ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. ফার্ষ্টক্লাশ ফার্ষ্ট।
অতঃপর ২০০০ সালে এম.ফিল এবং ২০০৫ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রীও অর্জন করেন। ‘আরাকান ও রোহিঙ্গা’ তাঁর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হলেও শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিসহ নানাবিধ বিষয়ে প্রবন্ধ-নিবন্ধ বিভিন্ন গবেষণা জার্নাল, জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক-সাপ্তাহিক পত্রপত্রিকা এবং অনলাইন ম্যাগাজিনসহ সাহিত্যের ছোট কাগজে নিয়মিত লিখে থাকেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য একুশটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বাংলা একাডেমী, এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি, বাংলাদেশ ইতিহাস একাডেমী; বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ ও পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

মাহফুজুর রহমান আকন্দ বলেন, বিদ্যাসাগর পদকটি মূলত দেওয়া হয় সাহিত্যের গবেষণায় উৎসাহিত করার জন্য। এই পদকটি প্রাপ্তির ফলে আমার সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো। বিদ্যাসাগর,স্বামী বিবেকানন্দসহ আরও অন্যান্য খ্যাতিমান ব্যক্তিদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার জন্য নতুন করে উৎসাহ পেয়েছি।