সোমবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ১২:৪৫
শিরোনাম :
বিসিসি নির্বাচনে মাঠে তৎপর এনসিপির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন শিকদার! কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: এড.আতিকুর রহমান গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে যোগ দিলেন ১০ নেতাকর্মী! চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা এক কনস্টেবলে অতিষ্ঠ শেবাচিম হাসপাতাল ঢাকায় আরও দুটি মেট্রোরেল হবে,সাড়ে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব অনুমোদন রূপাতলীতে শ্রমিকনেতা কাওছার হোসেনের নেতৃত্বে চাঁদামুক্ত পরিবেশে স্বস্তিতে আলফা-সিএনজি চালকরা! বরিশালে বিএনপি নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ বিএম কলেজে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

জাপানে বেকার স্বামীর ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি নারী খুন

জাপানে নিজের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশি এক ব্যক্তি।

পরে তাকে আহতাবস্থায় আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

নিহত ওই নারীর নাম শামীমা আক্তার (৪০)। তিনি টোকিওর ন্যাশনাল সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন হাসপাতালে এপিডোমলজি বিভাগের প্রধান ছিলেন।

আর নিহতের স্বামীর নাম বিএম শাহাদাত হোসেন (৫১)। তিনি দীর্ঘ দিন যাবত বেকার।

জানা গেছে, টোকিওর উপকণ্ঠে সায়তামা প্রদেশের মাসুশিগে শহরের এক বাসায় থাকতেন বাংলাদেশি এ দম্পতি।

পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত শনিবার শামীমার এক ভাই পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে ওই দম্পতিকে তারা খুঁজে পাচ্ছেন না। এরপর পুলিশ তাদের খোঁজে মাঠে নামলে শাহাদাতকে টোকিওর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উদ্ধার করে।

পরে ঘটনা তদন্ত করে পুলিশ জানায়, শাহাদাত গত সোমবার তার স্ত্রীকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যার পর নিজে ট্রেনের নিচে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীরা উদ্ধার করে তকে হাসপাতালে পাঠায়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ সায়তামার ওই বাসা থেকে শামীমার লাশ উদ্ধার করে।

শাহাদাত তার স্ত্রীকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

স্থানীয় বাংলাদেশিরা জানিয়েছে, শামীমা চাকরি করলেও তার স্বামী শাহাদত ছিলেন বেকার।

শামীমা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। এরপর টোকিওর ন্যাশনাল সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন হাসপাতাল থেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

২০১১ সালে একই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা শুরু করেন। শামীমা এই হাসপাতালের এপিডোমলজি বিভাগের প্রধান ছিলেন।