বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৬:২৬
শিরোনাম :
বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি ইরাকের কুর্দিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক মক্কা ও জেদ্দায় সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

উপাচার্য নেই,সংকটে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

মো.তরিকুল ইসলাম, ববি প্রতিনিধি:পাঁচ মাস ধরে উপাচার্য নেই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে(ববি)।দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্য না থাকায় শিক্ষাকার্যক্রম সহ স্থাপনার কাজ ব্যহত হচ্ছে।

গত ২৭ মার্চ ভিসির দুর্নীতি,অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে  দীর্ঘদিন আন্দোলন করে।তার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রনালয়ের উপসচিব হাবিবুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক উপাচার্য ড.এস. এম ইমামুল হককে ২৯ এপ্রিল বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে অপসারন করা হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনে  অন্যতম সংঘটক লোকমান হোসেন  বলেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন একজন স্বৈরাচারী, দুর্নীতিবাজ উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। এ আন্দোলন ছিলো স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মুক্তির আন্দোলন, নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম। আমরা দীর্ঘ ৩৬ দিন অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছি যে আমরা ছিলাম ন্যায়ের পক্ষে, স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির পক্ষে।

এ কারণেই আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং দেশরত্ন, মমতাময়ী, আমাদের সুযোগ্য প্রধানমন্ত্রী সেই স্বৈরাচারী উপাচার্যকে অপসারণ করেছেন। এইজন্য আমরা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

তিনি আরো বলেন এবছরের ২৯ শে এপ্রিল ভিসি অপসারনের পর থেকে উপাচার্যের সকল কার্যক্রম রুটিন দায়িত্ব হিসেবে আমাদের ট্রেজারার স্যার পালন করছেন। কিন্তু তার সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্য পরিচালনা করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় আমাদের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনা সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ পিছিয়ে পরছে এবং শিক্ষার্থীদেরও অনেক কাজে জটিলতার শিকার হতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীই চায় বিশ্ববিদ্যালয় যেন সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সকল শিক্ষার্থী যেন নিজের শিক্ষা এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সঠিকভাবে অংশ নিতে পারে। নতুন উপাচার্যের নিয়োগ ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গতিশীলতা সৃষ্টি হবে না। তাই উপাচার্যের নিয়োগ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য।

এছাড়াও ববির সকল শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও অগ্রনায়ক, মমতাময়ী, দেশরত্ন ও সফল প্রধানমন্ত্রী দ্রুত শিক্ষার্থীবান্ধব ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের উপাচার্য নিয়োগ দিবেন।

প্রসঙ্গত ২৬ এ মার্চ এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপাচার্য ড.এস.এম ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের কে রাজাকার বলায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ভিসির অপসারনের দাবিতে আন্দোলন করে।তার প্রেক্ষিতে ১১ এপ্রিল থেকে ২৬ শে মে প্রর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে তাকে অপসারন করা হয়।

তারপর থেকে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড.এ কে এম মাহবুব হাসানকে উপাচার্যের দায়িত্বভার দেওয়া হয়, যা শেষ হবে ১০ই অক্টোবর।

এমতাবস্থায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ভিসি নিয়োগ দেওয়ার জন্য আহব্বান জানান।