বুধবার, ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, বিকাল ৫:৪৭
শিরোনাম :
ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা

ভোলায় ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী অন্তঃসত্তা, খবর শুনে মায়ের মৃত্যু,ধর্ষক আটক

রিপোর্ট  ভোলা প্রতিনিধি:ভোলার বোরহানউদ্দিনে ৫ শ্রেণীর ছাত্রী অন্তঃসত্তার,খবর শুনে মায়ের মৃত্যু। এই ঘটনায় দুলাল নামের এক জনকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ।

ভিকটিম ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায, বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দ জনৈক ব্যাক্তির মেয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে লালমোহন থানা এলাকার দুলাল নামের এক ট্রাক চালক কর্তৃক ধর্ষণে অন্তঃসত্তা হয়ে পরে

ভিকটিমের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, তাদের ৫ম শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়েকে প্রতিবেশী ইয়ানুর বেগমের সহায়তায় একটি ঘরে আটকে রেখে দুলাল নামের এক লম্পট দিনের পর পর দিন ধর্ষনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

ভিকটিমের পরিবার একাধিকবার চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নেতাদের কাছে বিচার চাইলে তারা কোন প্রকার প্রতিকার না করে উল্টো আমাদের চুপ থাকার জন্য ভয় দেখান। ভিকটিমের পরিবার ভয়ে চুপ থাকলেও তাদের শিশু মেয়ের শরীরের অবস্থা খারাপ হওয়ায় গত ২৭ নভেম্বর ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরিক্ষা করে বলেন ভিকটিম ছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্তা। এমন খবর শুনে ভিকটিম ছাত্রীর মা নাজমা বেগম(৪০) হার্ট এ্যটাক করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন, এবং ২৮ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

এদিকে ধর্ষক দুলালকে বৃহস্পতিবার রাতে লালামোহন থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেন। পলাতক রয়েছেন ধর্ষণে সহায়তাকারী নারী ইয়ানুর
এই ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপার(লালমোহন সার্কেল) মোঃ রাসেলুর রহমান বলেন, বোরহাউদ্দিন থানার ওসি মু.এনামুল হকের সাথে কথা হয়েছে, দ্রুত ধর্ষক কে গ্রেপ্তারের জন্য বলেছি।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মীর খায়রুল কবির জানান,ধর্ষকের সহযোগী মহিলা ইয়ানুর বেগম পালিয়ে গেলেও তাৎক্ষনিকভাবে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ধর্ষক দুলালকে লালমোহন থানা পুলিশ আটক করে।ধর্ষক দুলালের বাড়ি লালমোহনে হওয়ায় এখন লালমোহন থানার আওতায়া আছে। ঘটনাস্থল বোরহানউদ্দিন হওয়ায় আমরা ধর্ষককে বোরহাউদ্দিন থানায় হস্তান্তন করবো।

বোরহাউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মু.এনামুল হক বলেন, ধর্ষক দুলাল এখন থানা হেফাজতে রয়েছে। ধর্ষকের সহযোগী ইয়ানুর বেগমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।