বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৫৩
শিরোনাম :
বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ জনপ্রশাসনের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে:বিসিসি প্রশাসক শিরীন বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন,সভাপতি:ফয়সাল,শিক্ষানুরাগী:মামুন-অর-রশিদ বিএম কলেজে সবুজ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএম কলেজে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী মিজান সুইট মিটের উদ্বোধন দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তুলতে পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই:রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারতের আন্দোলনের পেছনে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীর

বানারীপাড়ায় চার মাস ধরে শেষ ঠিকানায়ও পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক  জন্মিলে মরিতে হবে, এটাই চিরন্তন সত্য বাণী। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের শেষ বিদায়ের ঠিকানাও একই। ধনী গরিব সবাইকেই সাদা কাপড় পরে সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে অন্তিম শয়নে শায়িত হতে হয়।

তবে সেই শেষ বিদায়েও মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। গত আম্ফান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর শহরের বেশিরভাগ অংশে পানি জমেছে। বর্তমানে উপজেলার ৮১টি গ্রাামের অনেকাংশ রয়েছে পানির নিচে।

পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেরও একই অবস্থা। যদিও জোয়ারে পানি ওঠে ভাটায় নেমে যাচ্ছে। তার পরেও যে স্থানগুলোতে পানি উঠলে নামার কোনো ব্যবস্থা নেই। সেখানকার পরিবারগুলো প্রায় চার মাস পর্যন্ত পানিবন্দি হয়ে আছে। যা থেকে উত্তরণের কোনো পথই পাচ্ছেন না ওই পরিবারগুলো।

অনেকেই জানান, পৌরশহরের প্রায় সবগুলো সরকারি খাল প্রভাবশালী মহল বা তাদের মদদে অন্যরা অনেক আগেই ভরাট করে দখল করে নিয়েছেন। ফলে টানা বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে চরমভাবে পানিদুর্ভোগে পড়েছেন পৌরসভার সাধারণ নাগরিকরা। উপজেলার সবগুলো এলাকায় একই অবস্থা বিরাজ করছে।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, স্থায়ীভাবে পানিবন্দি হওয়া বা জোয়ারে পানি ওঠে আর ভাটায় নেমে যায় এমন স্থানের পরিবারগুলোর মধ্য থেকে কোন সদস্য মারা গেলে তার শেষ বিদায়ের ঠিকানা কবর খুঁড়লেই ভেতরে পানি উঠে যাচ্ছে। এ অবস্থা প্রায় চার মাস ধরে।

এদিকে বানারীপাড়া সরকারি কবরস্থান ও শ্মশানেরও একই অবস্থা। এখানে বর্তমানে কোনো মানুষকে শেষ বিদায় দেয়ার মতো অবস্থা নেই।পানিদুর্ভোগের কারণে অনেককে কাঠের বাক্সের মধ্যে রেখেই শেষ বিদায় দেয়া হয়েছে।