মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:২৩
শিরোনাম :
মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী

এটিএম বক্স না ভেঙেই ৯ দিনে ৪০ লাখ টাকা লুট

অনলাইন ডেস্ক  এটিএম বক্স ঠিকই রয়েছে। কোনো আঁচড়ের দাগ নেই। কিন্তু এটিএম মেশিনের ভেতর থেকে রহস্যজনকভাবে টাকা উধাও। কলকাতার অন্তত দু’জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেছে।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, এভাবে ৯ দিন ধরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা জালিয়াতি হয়েছে কলকাতা শহরে। কাশীপুর, নিউমার্কেট ও যাদবপুর এলাকার ৩টি এটিএম কাউন্টারে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কলকাতার নিউমার্কেটের একটি এটিএম বুথ থেকে ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যাদবপুরের একটি এটিএম থেকে ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও কাশীপুরের একটি এটিএম থেকে ৭ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে গোয়েন্দারা।

প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দা পুলিশের ধারণা, কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কী সেই সফটওয়্যার, তা নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে রহস্য।

এর আগে কলকাতায় একাধিকবার এটিএম ভেঙে টাকা লুঠপাটের ঘটনা ঘটেছে। এটিএমে স্কিমার যন্ত্র বসিয়ে প্রচুর টাকা জালিয়াতি করেছে রোমানীয় জালিয়াতরা।

শুক্রবারও গড়িয়াহাটে এটিএম ভেঙে লুঠপাটের অভিযোগে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কিন্তু কাশীপুর ও যাদবপুরে যা ঘটেছে, তা একেবারেই নতুন বলে দাবি পুলিশের। আরও একটি এটিএম থেকেও টাকা চুরির খবর এসেছে পুলিশের কাছে।

দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর এলাকার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে টাকা ভর্তি করতে এসে এটিএম খুলতেই ওই সংস্থার কর্মীরা দেখেন, ভেতর থেকে উধাও টাকা।

ওই ব্যাংকের কর্মকর্তারাও এসে দেখেন যে, এটিএম না ভেঙেই ভেতর থেকে উধাও হয়েছে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার দুটি এটিএম থেকে মোট ৪৫ লাখ টাকা উধাও হওয়ায় গোয়েন্দারা বিষয়টিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।

দু’টি এটিএম পরীক্ষা করেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিকভাবে তারা পুলিশকে জানিয়েছেন, কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, এটিএমগুলোর পেছন দিক থেকে তার বেরিয়ে থাকতে দেখা গেছে। ওই তারের মাধ্যমেই সফটওয়্যার ব্যবহার করে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে বলেই ধারণা গোয়েন্দাদের। এই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে এটিএম দু’টির সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।