মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:৫৮
শিরোনাম :
মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী

চীন ‘ভারত সীমান্তে ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে’

অনলাইন ডেস্ক  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছেন, ভারত-চীন সীমান্তের লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলে (এলএসি) ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চীন। জাপানে কোয়াড গ্রুপ ভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকের পর নিজ দেশে ফিরে এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন তিনি।

এনডিটিভির বরাতে জানা যায়, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলো নিয়ে কোয়াড গ্রুপ গঠিত। গত মঙ্গলবার এই গ্রুপের সদস্য দেশ জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পম্পেও। বৈঠকে চীনের আগ্রাসী আচরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল , দক্ষিণ চীন সাগর ও এলএসি-তে চীনের ভূমিকা নিয়ে তারা নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এ নিয়ে দেওয়া সাক্ষাতকারে পম্পেও বলেন, লাদাখের উত্তরে অবস্থিত এলএসি-তে চীনা সরকার ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। এছাড়া তাদের আরো বেশ কিছু আগ্রাসী আচরণ আছে যার কারণে অস্বস্তিতে আছে কোয়াড দলভুক্ত রাষ্ট্রগুলোকে।

তিনি বলেন, বৈঠকে আমি ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ চারটি গণতান্ত্রিক দেশ যারা বিভিন্নভাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কারণে ভোগান্তিতে আছে। এই ইস্যুতে দীর্ঘদিন কোয়াড দলভুক্ত রাষ্ট্রগুলো নিশ্চুপ ছিলো। যার কারণে চীনারা তাদের আগ্রাসন অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। এখন কোয়াড দলভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর পাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আছে।

তিনি আরো বলেন, এসব রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বোঝাপড়ার মান অনেক উন্নত হয়েছে। সেইসঙ্গে একই লক্ষ্যে আগানোর জন্যে আমরা বেশ কিছু নীতিমালাও হাতে নিয়েছি। প্রত্যেককে একত্র হয়ে এই সমস্যার মোকাবেলা করতে হবে।