মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:৫২
শিরোনাম :
মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে বিআরটিসির দুই ডাবল ডেকার বাস উদ্বোধন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও পারে,নলছিটি উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছে ফাহমিদা সুরেন্দ্র ভবন ছাত্রাবাসে সিনিয়রের বিরুদ্ধে জুনিয়রকে স্টাম্প দিয়ে আঘাতের অভিযোগ শায়েস্তাবাদে জনগনের আস্থার প্রতীক বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী হেমায়েত হোসেন মুরাদ! বিএম কলেজে ছাত্রীদের জন্য পৃথক পাঠকক্ষ উদ্বোধন করলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী জাবের আহমেদ রাজধানীতে সাত রুটে কোম্পানিভিত্তিক ৮৬১ বাস চালু ৩ দাবিতে ৪ নভেম্বর মাঠে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক দারাজের ‘টপ অ্যাফিলিয়েট অ্যাওয়ার্ড’ ও ‘অ্যাফিলিয়েট স্টার’ সম্মাননা পেলেন ফ্রিল্যান্সার আসিফ আলী

উত্তেজনার মধ্যেই বাইডেন-জিনপিং বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পারস্পরিক তিক্ততা দূর করতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন । ক্ষমতা গ্রহণের পর শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এবারই প্রথম বৈঠকে বসলেন জো বাইডেন। সোমবার (১৫ নভেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৮টায় বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই বৈঠকটি ভার্চ্যুয়ালি শুরু হয়। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উভয় নেতা এমন এক সময়ে এই বৈঠকে বসলেন যখন তাইওয়ান, হংকং ও উইঘুরদের সঙ্গে বেইজিংয়ের আচরণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বাইডেন বলেন, যে ভাবেই হোক না কেন, দেশগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা আছে। তবে এই পরিস্থিতি যেন সংঘর্ষের দিকে না যায় বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবশ্যই ‘গার্ডেল’ তৈরি করতে হবে।’

অন্যদিকে বেইজিং থেকে শি জিনপিং বলেন, বহু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে উভয় দেশ। তিনি প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে নিজের পুরনো বন্ধু বলে আখ্যায়িত করেন। দুই রাষ্ট্রকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

চীনা প্রেসিডেন্টের ভাষায়, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ভেতরে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে।’

সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে তাইওয়ান নিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। তাইওয়ানকে বরাবরই নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে চীন। সেখানকার আকাশসীমা লঙ্ঘন থেকে শুরু করে একাধিক সামরিক প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে বেইজিং।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন যে, চীনের হাত থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর যুক্তরাষ্ট্র। আর বাইডেনের এই ঘোষণায় কোনোভাবেই সন্তুষ্ট ছিল না চীন।