শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ৬:৩৭
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন ও বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস কে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ শোকাহত আব্দুস সালামের পরিবারের পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা মুলাদীতে এনসিপির ৩৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ঘূর্ণিঝড় এর নামকরণ যেভাবে করা হয় !

মিজানুর রহমানঃবিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা World Meteorological Organization(WMO:১৯৫০) এর আঞ্চলিক কমিটিগুলোই নিজ নিজ অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে থাকে।

জাতিসংঘের এশিয়া- প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের নিয়ে গঠিত সংস্থা ” এস্কেপে ” উত্তর ভারতীয় মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে থাকে।

North Indian Ocean cyclone area ৪৫ ডিগ্রি পূর্ব থেকে ১০০ ডিগ্রি পূর্ব অক্ষাংশ পর্যন্ত এ অঞ্চল বিস্তৃত। ঘূর্নিঝড়ের তীব্রতা এবং ক্ষতির দিক বিবেচনা করে এদের নামকরন করা হয়।

আবহাওয়াবিদদের মতে, ভয়াবহতার দিক থেকে সব ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য প্রায় একই থাকে। তবে স্থানীয়ভাবে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম ভিন্ন হয়ে থাকে।
যেমন ভারত মহাসগরীয় অঞ্চল থেকে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়গুলোকে সাইক্লোন বলা হয়। টাইফুন বলা হয় প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়গুলোকে। আর হারিকেন বলা হয় আটলান্টিক মহাসাগরীয় এলাকার ঘূর্ণিঝড়কে।

“এস্কেপে প্যানেল” এশিয়া- প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশ- বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড এবং ওমান নিয়ে গঠিত। ২০০০ সালে এস্কেপের সম্মেলনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রতিটি দেশ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের ১০টি নাম জমা নেওয়া হয় এবং এখান থেকেই পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ করা হয়।

জাতিসংঘের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপের আবহাওয়াবিদদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি এ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে রেখেছে। ধারাবাহিকভাবে সাজানো নামগুলো পর্যায়ক্রমে ঝড়ের নামকরণ হিসাবে আসবে। বাংলাদেশের কাছ থেকে আসা প্রস্তাবের ভিত্তিতে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির (ফণী) নামকরণ করা হয়েছে।

ঘূর্নিঝড় ‘সিডর’ যা ‘রক্তচক্ষু’, কিংবা ‘মহাসেন’র নাম রাখা হয়েছিলো শ্রীলংকার তৃতীয় শতকে শাসক রাজা’র নামানুসারে, হুদহুদের নাম রাখা হয়েছে ওমানের প্রস্তাবিত একটি পাখির নামানুসারে।

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ এর পরে ভবিষ্যতে যে ঘূর্ণিঝড়গুলো আঘাত হানবে তার নামগুলো হবে পর্যায়ক্রমে- বায়ু, হিকা, কায়ের, মহা, বুলবুল, সোবা ও আমপান।

লেখক,মোঃমিজানুর রহমান
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়